এই পদ্ধতিতে কালো ঘার ফর্সা করুন মাত্র ১০ মিনিটে, ফলাফল পাবেন হাতেনাতে


অনেকেরই দেখা যায় চেহারার তুলনায় ঘার অনেক কালো হয়। শরীরের সব অংশ ফর্সা থাকলে যদি ঘাড় কালো হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই সেটা দৃষ্টিকটু লাগবে।

বাইরে বেরিয়ে বন্ধু বান্ধবের সামনে অপ্রস্তুতে পড়তে হয়। অনেকে পার্লারে গিয়ে অনেক টাকা খরচ করে আসেন, কিন্তু তাও কোন লাভ হয়না। কিছুদিনের জন্য সেই দাগ গেলেও আবার তা ফিরে আসে।

আজ আপনাদের কালো ঘাড় ফর্সা করার কিছু সহজ পদ্ধতি বলবো যা আপনাদের কালো ঘাড়ের দাগ খুব সহজেই দূর করবে। এই পদ্ধতি প্রয়োগ করার পর দেখবেন ম্যাজিক। আপনি এমন তফাৎ লক্ষ করবেন যা ভাবতেও পারবেন না। মাত্র ১০ মিনিটে এই পদ্ধতি কার্যকর হবে।

এর উপাদান গুলি হল – কাঁচা দুধ, চন্দন, বেসন, লেবুর রস। প্রথমে নিন কাঁচা দুধ। কাঁচা দুধে থাকে প্রচুর পরিমানে ল্যাকটিক অ্যাসিড, যা ত্বকের যেকোন ধরনের দাগ দূর করতে সক্ষম এবং ত্বকের ডেড সেলস দূর করে। দু চামচ মতো কাঁচা দুধ নিন, তারপর তার সাথে মেশান চন্দনের গুঁড়ো।

দুধ বলতে সেটা কিন্তু গুঁড়ো দুধ নিলে হবেনা। দুধ এবং চন্দনে আছে এমন এক উপাদান যা ত্বকের সমস্ত ময়লা বা কালো দাগ শুষে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে। কিন্তু শুধু দুধ বা চন্দনে সম্পুর্ন কাজ হবেনা। তার সঙ্গে আরো কিছু উপাদান দরকার।

এর সঙ্গে বেসন বা চালের গুঁড়ো যেকোন একটি কিছু মিশিয়ে নিন। এগুলি কালো জমে থাকা ময়লা নরম করে দেয়। ঘামের কারনে ত্বক কালো হয়ে গেলে তা আপনি বেসনের সাহায্যে দূর করতে পারবেন। তার সঙ্গে মেশাতে হবে লেবুর রস।

লেবুতে আছে সাইট্রিক অ্যাসিড যা ত্বকের কালো দাগ দূর করে ত্বক ফর্সা করতে সাহায্য করে। তবে ত্বকে শুধু লেবুর রস লাগানো একদম উচিৎ নয়। আর লেবু ত্বকে লাগিয়ে বেশি ঘষা একদম উচিৎ নয়। ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। এইসব উপাদান গুলি একসাথে মিশিয়ে একটা পেস্ট তৈরী করে নিন।

এবার আপনার ঘাড়ের কালো অংশ ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন, যাতে সেখানে কোন ঘাম বা ধুলো বালি লেগে না থাকে। তারপর পেস্টটি লাগিয়ে নিয়ে ভালো করে ম্যাসাজ করুন এবং সেটি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

 

শুকিয়ে গেলে ভালো করে ধুয়ে নিন। ধুয়ে সেই অংশে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এইভাবে প্রতিদিন করুন। প্রথম ব্যবহারেই তফাৎ দেখতে পাবেন। আপনি এই পেস্টটি বানিয়ে তিন দিন পর্যন্ত রাখতে পারেন। খারাপ হবেনা কিন্তু তার বেশি রাখতে পারবেন না।


Best bangla site

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *