এবার প্রধানমন্ত্রীকে যে প্রস্তাব দিলেন হিরো আলম


আশরাফুল আলম সাঈদ (বর্তমানে হিরো আলম নামে অধিক পরিচিত) একজন বাংলাদেশী সঙ্গীত ভিডিও মডেল,অভিনেতা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে বেশ আলোচিত ব্যক্তি। ২০১8৮ সালে হিরো আলম একাদশ সংসদ নির্বাচনে বগুড়া চার আসনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে পুনরায় আলোচনায় আসেন। ১১ আগস্ট ২০১৭ তারিখে আশরাফুল আলম অভিনীত প্রথম ছবি মার ছক্কা মুক্তি পায়।

২০১৮ সালে তিনি বিজু দ্যা হিরো নামে একটি বলিউড চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশে বেশকিছু বিজ্ঞানপনচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। হিরো আলম, বাংলাদেশ সরকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাছে আমার কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব-ভ’য়াব’হ করো’না প’রিস্থি’তি সামাল দেয়ার জন্য সঠিক ও সমন্বিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য।

আমরা চাই,সরকার আর কালক্ষেপণ না করে এখনই সঠিক কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, পরিবেশবিদ এবং অন্যান্য বিশেষজ্ঞমন্ডলীর সমন্বয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। অবিলম্বে বাংলাদেশের সকল জায়গায় বিনামূল্যে টেস্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় কিটসহ বিভিন্ন সামগ্রী

সরবরাহ ও তার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। মাস্ক, সাবান, স্যানিটাইজার জোগান নিশ্চিত করতে হবে। কিট তৈরির কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে দ্রুত খালাস ও কর মওকুফের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। দেশের সকল সীমান্ত প্রবেশপথ সতর্ক নজরদারির আওতায় আনতে হবে।

অবিলম্বে করো’না সং’ক্রম’ণের সময় আ’ক্রা’ন্ত দেশগুলো থেকে ফিরে আসা প্রবাসীদের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে সম্ভাব্য বা ইতোমধ্যে আ’ক্রা’ন্ত অঞ্চলের মানচিত্র তৈরি করতে হবে। গুরুত্ব অনুযায়ী অঞ্চলভিত্তিক জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। দেশের ভেতর কক্সবাজার, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ পর্যটন গন্তব্যগুলো পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে হবে।

করো’না সং’ক্রা’ন্ত জরুরি কাজ ছাড়া পোশাক কারখানাসহ সকল কারখানার শ্রমিকদের আপদকালীন সময়ে সবেতন ছুটি দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ছুটিকালীন শ্রমিকদের মজুরি যাতে ঠিকমতো পরিশোধ হয়, সেদিকে বাংলাদেশ সরকারকে খেয়াল রাখতে হবে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি বন্ধ করে ন্যায্যমূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে।

নিম্ন আয়ের এবং কর্মহীন ব্যক্তিদের জন্যে রেশনিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। এই সুযোগে ঋণখে’লাপি,চোরাই টাকার মালিকদের কোনো বাড়তি সুবিধা দেওয়া যাবে না।বিশেষজ্ঞ, স্বাস্থ্যকর্মী, ধর্মীয় নেতাদের সাহায্যে ঢাকা সহ সারা দেশের প্রত্যেক এলাকায় স্থানীয় ক্লাব, পঞ্চায়েত, সংগঠন ও কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ ও পর্যাপ্ত সুরক্ষা সরঞ্জাম দিয়ে তাদের প্রচার ও রোগ প্রতিরোধে কাজের সুযোগ দিতে হবে।


Best bangla site

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *