মঠবাড়িয়ায় শালিস প্রধানের নামে ধর্ষণ মামলার অভিযোগ

মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি :: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় শালিস প্রধানকে ম্যানেজ করতে না পেরে শালিসীতে হেরে যাওয়ার ভয়ে শালিস প্রধানের নামে ধর্ষণ মামলা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) উপজেলার দেবত্র গ্রামের জাকির তালুকদারের স্ত্রী রাবেয়া বেগম (৩৫) বাদী হয়ে ওই একই গ্রামের মৃত. হাবিবুল ইসলাম খানের পুত্র ইলিয়াস খানকে (৫০) আসামী করে মঠবাড়িয়া থানায় একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করেন।অভিযুক্ত ইলিয়াস খান উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যের স্বামী।

সরেজমিনে জানা যায়,ধর্ষন মামলার বাদী রাবেয়ার সাথে প্রতিবেশী জলিল খাঁ গংদের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে একটি শালিস বরণ হয়।উভয় পক্ষের স্বাক্ষরিত শালিস বরনে ১ম পক্ষের শালিসদার হিসেবে (১) মোঃ রাজু জোমাদ্দার ও (২) মোঃ এমাদুল হোসেন খান এবং ২য় পক্ষের শালিসদার হিসেবে (১) মোঃ রুবেল খান ও (২) রফিকুল ইসলাম (শিপলু) এর নাম উল্লেখ আছে।শালিস প্রধান মোঃ ইলিয়াস খান। ১ম পক্ষ রাবেয়া বেগম শালিস প্রধানকে ম্যানেজ করতে না পেরে শালিসীতে বসতে টালবাহানা শুরু করে।ভুক্তভোগী ২য় পক্ষ শালিস প্রধানের কাছে প্রতিবেদন দাবি করে। শালিসীতে না বসলে প্রতিবেদন দেওয়া হবে বলে শালিস প্রধান বিষয়টি ১ম পক্ষ রাবেয়াকে অবগত করলে রাবেয়া ক্ষুব্ধ হয়ে শালিস প্রধানের বিরুদ্ধে মঠবাড়িয়া থানায় একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করেন।

অভিযুক্ত ইলিয়াসের স্ত্রী খাদিজা বেগম জানান,আমাদের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এলাকার একটি কুচক্রি মহল আমাদের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য চরিত্রহীন একটি মহিলাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে অপপ্রচার চালাচ্ছে।আমাদের বাড়ির ভিতরেই জামে মসজিদ।পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ হয়। ঘরে পুত্র বধু আছে।সন্ধ্যার পরে আমার স্কুল পড়ুয়া ছোট ছেলে পড়াশুনা করে।এজাহার অনুযায়ি সন্ধার পরে আমার বাসায় কিভাবে এ ধরনের রেপ কেসের মত ঘটনা ঘটে?পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিকট সুষ্ঠু তদন্ত করে আমার স্বামীকে সাজানো মামলা থেকে অব্যহতি দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।

এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া থানার ওসি মাসুদুজ্জামান জানান, উপজেলার দাউদখালী সংরক্ষিত ইউপি সদস্যের স্বামীর নামে দায়েরকৃত মামলাটির তদন্ত অব্যাহত আছে।সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা নেওয়া হবে।


Best bangla site

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *