স্বামীর কাছে যে ৫টি সত্য কখনোই বলেন না নারীরা!


একে অ’পরের স’ঙ্গে সারাজীবন কা’টানোর অ’ঙ্গীকার করেই বিবাহীত জীবন বেছে নিয়েছেন। সুখে-দুঃখে একে অন্যের ভরসা হয়ে ওঠা। আর স’ঙ্গে অবশ্যই পারস্পরিক বিশ্বা’স আর সম্মান। এর নামই বিয়ে।

যার স’ঙ্গে সারাজীবন কা’টাবেন বলে স্থির ক’রেছেন, তার কাছে গো’পন কী’-ই বা থাকতে পারে। তবে সত্যিই কি গো’পন কিছু থাকে না? উত্তর দিয়েছেন বিশ্বের নামকরা মনোবিদরা। তাদের মতে, এমন পাঁচটি বিষয় রয়েছে যা নিয়ে স্ত্রী’রা সাধারণত স্বামীর কাছে মুখ খোলেন না বা মুখ খোলা পছন্দ করেন না।

১) শারী’রিক অ’সু’স্থতা : এ ব্যাপারে কথা বলায় মহিলাদের চ’রম অনীহা থাকে। বিশেষত, তারা যদি বুঝতে পারেন, স’মস্যা গু’রুতর। তবুও স্বামীর কাছে গো’পন করে রাখাই শ্রেয় বলে মনে করেন।

বিশ্বের অন্যতম নামী মনোবিদ, ডা. ক্রিস্টেন কার্পেন্টার বলেন, ‘এর পেছনে একটা ভাবনাই কাজ করে। সংসারের চিন্তার স’ঙ্গে যদি আরো একটি বিষয় এসে জোটে তবে স্বামীর মা’নসিক স’মস্যা বাড়বে। কিন্তু এটা করার অর্থ ভবিষতে আরো বড় স’মস্যা আ’হ্বান করা। শারী’রিক ব্যাপার স্বামীকে বলবেন না তো কাকে বলবেন!’

২) স’ম্পর্কে সম’স্যা : সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বিবাহিত মহিলারা একলা মনোবিদদের সাহায্য নিচ্ছেন, থেরাপিও করাচ্ছেন এটা জা’নার জন্য বিবাহিত স’ম্পর্কে থাকবেন কিনা। থেরাপিস্ট ডা. জোডি ভোথ বলেন, ‘সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।

এর পেছনে অন্যতম কারণ ভ’য়। মহিলারা সাধারণত এটা ভাবেন স্বামী থেরাপির কথা জানলে তিনিও নিজে’র স্বাধীন মতামত দেবেন। ফলে একাই হোক। কিন্তু এতে বিশেষ লাভ হয় না। কারণ স’স্পর্ক তৈরি হয় দু’জনকে নিয়ে। স’মস্যা যদি থেকেই থাকে, তবে তা মে’টাতেও হবে দু’ জনকে। একা করা সম্ভব নয়।’

৩) জীবনে পছন্দ-অ’পছন্দ : বিয়ের স’ঙ্গে স্বামী-স্ত্রী’র কিছু চাহি’দাও ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। কিন্তু বেশিরভাগ মহিলা এ ব্যাপারে চুপ করে থাকা পছন্দ করেন। ডা. ক্রিস্টেন কার্পেন্টার বলেন, ‘তারা ভাবেন যদি স্বামীকে বললে তার খা’রাপ লাগে বা তিনি অসন্তুষ্ট হন।

তাই নিজে’র ইচ্ছাটাকে বিসর্জন দিয়েই তারা চুপ করে থাকেন। এ ব্যাপারে খোলাখুলি কথা বলাই ভালো। স’ম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পরিবেশে যখন দু’জনে একা থাকবেন, তখন এ ব্যাপার উত্থাপন করুন। প্রথমেই বলুন আপনার কোন বিষয়টা ভালো লাগে। তার পর খা’রাপ লা’গার প্রস’ঙ্গে আসুন।’

৪) ব্য’ক্তিগত সাফল্য : চাকরিতে পদোন্নতি বা বড়সড় স্যালারি হোক। আনন্দের বিষয় স’ন্দে’হ নেই। কিন্তু স্ত্রী’রা সাধারণত এ ব্যাপারে চুপ থাকেন। এর প্রধান কারণ ইগো। এটা দু’পক্ষেরই থাকতে পারে। ডা. কার্পেন্টার বলেন, ‘বহু পুরুষ চাকরি করা সফল মহিলাদের স্ত্রী’ হিসাবে পেতে চান।

কিন্তু তারা প্রথমে একটা জিনিস দেখেন, স্ত্রী’ তার থেকে বেশি সফল কিনা। অ’ত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক তাও বলছি, এটা পুরুষদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। বিশেষত উন্নয়নশীল দেশে। তাই স’মস্যা এড়াতে চুপ করেই থাকেন মহিলারা।’

৫) ব্যাংক অ্যাকাউন্ট : নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকলে তা নিয়ে মহিলারা সাধারণত কথা বলা পছন্দ করেন না। থেরাপিস্ট ডা. টোমানিকা উইদারস্পুন বলছেন, ‘এ পেছনে মহিলাদের নি’রাপত্তাহীনতা কাজ করে। যদি কোনো কারণে স’স্পর্ক না টেঁকে, তাহলে ব্যাংকে জমানো টাকা কাজে লাগবে। তবে এর স’ঙ্গে একটা সেন্স অফ বিট্রেয়াল-ও কাজ করে।

যদি কোনো কারণে স্বামী আপনার এই গো’পন অ্যাকাউন্টের বিষয়ে জানতে পারেন, তবে তার বিশ্বা’সে আ’ঘা’ত লাগতে পারে। তিনি এটাও ভাবতে পারেন, আরো বড় কোনো বিষয়ো হয়তো আপনি লুকিয়ে গিয়েছেন। এ বিষয়গু’লি তৈরি হওয়ার আগেই কথা বলুন। এতে ক্ষ’তির চেয়ে লাভই বেশি হয়।


Best bangla site

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *