করো’নাভাই’রাসের নতুন ৩টি লক্ষণ স’ম্পর্কে জেনে নিন


করো’নাভাই’রাস সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পরে ইতিমধ্যে ছয় মাস কে’টে গেলেও আ’ক্রান্তের হার এখনও কমেনি।

বরং প্রতিদিন নতুন করে আ’ক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। করোনভাই’রাস সংক্রমণের কথা আম’রা প্রথম শুনেছি এবং এখন থেকে ছয় মাস কে’টে গেছে, কেবলমাত্র উদ্বেগজনক হারে কেস বেড়ে চলেছে। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে সংক্রমণের সংখ্যা ১০ মিলিয়ন এবং মৃ’তের সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়িয়েছে।

চিকিত্সা বিশেষজ্ঞরা এখনও ভাই’রাসটি কী’ভাবে শরীরে আক্রমণ করে তা জানার চেষ্টা করছেন, প্রতিদিন আরও নতুন লক্ষণ স’ম্পর্কে জানা যাচ্ছে। যু’ক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ন্যাশনাল ডিজিজ (সিডিসি) করো’নাভাই’রাসের লক্ষণসমূহের তালিকায় তিনটি নতুন লক্ষণ যু’ক্ত করেছে। এমনটাই প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া-

বুকে চাপ ধ’রা ও নাক দিয়ে পানি পড়া: করো’নাভাই’রাসের সর্বাধিক পরিচিত লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হলো শুকনো কাশি হওয়া বা সর্দি লাগা। সর্বশেষ অনুসন্ধান অনুসারে, রোগীদের ক্ষেত্রে সংক্রামণের প্রারম্ভিক দিনগুলোতে লক্ষণ হিসাবে বুকে চাপ ধ’রা এবং নাক দিয়ে পানি পড়া লক্ষ করা গেছে। অনেক ক্ষেত্রে, ভাই’রাসটি নাক থেকে বিস্তার করেছে যা পরে নাকের ইনফেকশন এবং শ্বা’স-প্রশ্বা’সের সংক্রমণের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বমি বমি ভাব: নিজেকে লুকিয়ে রাখা বা ছদ্মবেশ ধারণ করা সম্ভবত করো’নাভাই’রাসের অন্যতম স্বভাব। বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন যে, বমি বমি ভাব বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো লক্ষণগুলো হালকা সংক্রমণের ক্ষেত্রে জড়িত হতে পারে। যারা কেবল গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল সমস্যা অনুভব করেন এবং প্রাথমিকভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পান না, তাদের ক্ষেত্রে এটি আরও বাড়তে পারে। পেটে ব্যথা, ক্ষুধা হ্রাস এবং স্বাদের অনুভূতি চলে যাওয়াও এর সঙ্গে যু’ক্ত হতে পারে।

ডায়েরিয়া: আরও একটি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ইস্যুকে খারিজ করা উচিত নয়, তা হলো ডায়েরিয়া। জানা গেছে যে, অন্যান্য ভাই’রাসজনিত রোগের মতো, করো’নাভাই’রাসও হ’জম সিস্টেমে আক্রমণ করতে পারে এবং একে ভা’রসাম্যহীন করে তুলতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যাগুলো সুস্থ হওয়ার গতি ধীর করে দেয়। আপনার যদি ডায়েরিয়ার লক্ষণ থাকে যেমন- পানিযু’ক্ত বা ঘন ঘন মল, পেট খা’রাপ হওয়া বা ৩-৪ দিনের জন্য পাকস্থলীতে সমস্যা বা করো’নাভাই’রাসের অন্যান্য পরিচিত উপসর্গগুলো দেখা দেয় তবে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিন। এর জন্য জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।

অন্যান্য লক্ষণগুলো কী’? শুকনো কাশি, দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, শ্বা’সক’ষ্ট- এগুলো করো’নাভাই’রাসের সবেচেয়ে পরিচিত লক্ষণ। ভাই’রাসের কিছু কম পরিচিত লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে মা’থাব্যথা, গন্ধ বা স্বাদ অনুভূতি হ্রাস, বি’ভ্রান্তি, মা’থা ঘোরা, চোখের ফ্লু, নীল ঠোঁট, তীব্র সর্দি, পেশী ব্যথা , ক্লান্তি ইত্যাদি। গবেষণায় দেখা গেছে ভাই’রাসটি শি’শু ও গর্ভবতীদের ক্ষেত্রে ভিন্নভাবে আচরণ করতে পারে।

বিজ্ঞানীরা এখনও ভাই’রাসটি শরীরে কী’ভাবে আক্রমণ করে তা আবিষ্কার করার চেষ্টা করছেন। করো’নাভাই’রাসের লক্ষণগুলোর তালিকা ক্রমবর্ধমান হওয়ার সাথে সাথে বিশেষজ্ঞরা এর ভ’য়াবহতা উপলব্ধি করার চেষ্টা করছেন। যদিও এটি আগে শ্বা’সযন্ত্রের ভাই’রাস হিসাবে ভাবা হতো। এখন চিকিৎসকরা দেখছেন, বিভিন্নভাবে ভাই’রাসটি দেহকে পঙ্গু করে দিতে পারে। নিউরোলজিকাল রিপ্লেস, অবক্ষয় এবং প্রদাহ’জনিত আক্রমণের ক্ষেত্রে ভাই’রাসটি আমাদের কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি বিপজ্জনক।


Best bangla site

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *